মালদার সাতটারি নামে এক জায়গা থেকে একজন ব্যাক্তি আমার সাথে
দেখা করতে এসেছিলেন।
উনি পেসেন্টের যে বিবরণ দেন তা শুনে মনে হয়, সাধারণ ব্রেন স্ট্রোক ও প্যারালাইজ হয়েছে উনার স্ত্রীর।
নাম – বিজয়া মিশ্রা, বয়স – ৬৫ বছর।
উনি চেম্বারে আসতে পারবেন না, তাই আমাকে উনার বাŕ§śি যেতে হয়েছিল।
গিŕ§źে যা দেখি তা আমার মনে ŕ¦ŕ§źের সঞ্চার করে।
উনার স্ত্রীর শুধু
প্যারালাইজি হয়নি তার সাথে হয়েছে পারকিন্সন নামে এক ŕ¦ŕ§źŕ¦™্কর নার্ŕ¦ের অসুখ।
উনার বাম দিকটা একটা নির্দিষ্ট ছন্দে বা রিদমে
কাঁপছিল, এক মুহূর্তের জন্য শরীরটি স্থির
ছিল না।
এমন অবস্থাŕ§ź কি করে আমি থেরাপি করাবো ?
হাত পা অনবরত ছুটছে, মাথা নাচছে, পা কাঁপছে, হাত কাঁপছে।
কোথাই ম্যাশিন লাগাবো, কোন পয়েন্টে প্রেশার দিবো ?
এমন ধরণের পেসেন্টের ট্রিটমেন্ট আমি আগে কখনো করিনি, কি করে কি করব কিছু বুঝতেই পারছিলাম না।
প্রথমে আমি না করেদি।
কিন্তু ওরা আমাকে অনেক অনুনয় বিনয় করতে থাকলে আমি রাজি হই ও
কিছু দিন স্টাডি শুরু করি।
এই রোগের ট্রিটমেন্ট সম্বন্ধে বিŕ¦িন্ন জায়গাŕ§ź বিŕ¦িন্ন উপাŕ§ź
উল্লেখ থাকলেও কোথাও সন্তোষটিজনক কিছু পায়নি।
অ্যাকুপ্রেশারে যে কয়েকটা পেয়ন্ট সম্বন্ধে জানতে পেরেছিলাম
তা দিŕ§źেই উনার ট্রিটমেন্ট শুরু করি।
প্রথমে তিন দিনেই কিছু
একটা ŕ¦ালো রেজাল্ট পাŕ§ź, কিন্তু
তার পরে আর কিছুই উন্নতি দেখতে পাছিলাম না, ফলে আমি যেমন নিরুৎসাহ
হয়ে পরি তেমনই উনার বাŕ§śির লোকও কিছুটা ধৈর্য হারাতে শুরু করেন।
কিন্তু তবু সেই পয়েন্ট গুলোতেই আমার ট্রিটমেন্ট চলতে থাকে।
২৮ দিনের মাথাই এক
আশ্চর্য ফলাফল দেখতে পাŕ§ź।
উনার শরীরের সমস্ত কম্পন কমতে শুরু করে, তার কয়েকদিনে মাথাই শরীর একেবার স্থির হয়ে যাŕ§ź।
তারপরে কিছু দিনের মধ্যেই উনাকে ওয়াকার দিŕ§źে হাটাতে শুরু করি।
যে পেসেন্ট একমাস আগে
বসে থাকতে পারছিল না সে হাটতে শুরু করেছিল,
সোজা হয়ে দারাতে পারছিল, বাথরুমে যেতে পারছিল,
চেŕ§źারে অনেকক্ষণ বসে থাকতে পারছিল।
পারকিন্সনের মতো রোগ যে অ্যাকুপ্রেশারের মাধ্যমে ঠিক হয়, এটা আমি প্রথম স্বচক্ষে দেখেছিলাম।
আমার অŕ¦িজ্ঞতাŕ§ź বলে
অ্যাকুপ্রেশার সমস্ত রোগকে নির্মূল করতে পারে।
এটি অনেক সময় যে-কোন মেডিসিনের থেকেও দ্রুত
কাজ করে।
এর থেকে বড় কথা হল এর কোন রকম সাইড ইফেক্ট নাই।
আপনাকে শুধু সঠিক পেŕ§źেন্ট সম্বন্ধে জানতে হবে আর জানতে হবে
এর পেছনের বিজ্ঞান।
যাতে অ্যাকুপ্রেশার সম্বন্ধে সমস্ত ধারনা পরিষ্কার হয়ে যাŕ§ź।

