বর্তমানে কাইরোপ্রাক্টিক ও অ্যাকুপ্রেশার চিকিৎসার ব্যাপারে সকলেই কম বেশি ওয়াকিবহাল । হাতের তল বা পায়ের তলে বা শরীরের বিভিন্ন অংশ চাপ দিয়ে যে বহু রোগ নিরাময় করা যায় তা খুব কম লোকের কাছেই আজকে অজানা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আজকে এই চিকিৎসা পদ্ধতির সত্যতা প্রমাণ করে একে অন্যান্য মূল চিকিৎসা পদ্ধতির সাথে যুক্ত করেছেন। তাঁরা মানুষের শরীরে ৩৬১টি অ্যাকুপ্রেশার বিন্দুকে সব থেকে কার্যকারী বলে প্রমাণ করেছেন। বিশ্বে সমস্ত প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিগুলির মধ্যে এটিও একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান। ভারত, মিশর, চীন ইত্যাদি প্রাচীন সভ্যতা গুলির মধ্যে এই চিকিৎসা পদ্ধতির খোঁজ পাওয়া যায়। এখানে কোন বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের ব্যাপার নেই, আপনার যদি সঠিক রোগের সঠিক বিন্দু সম্বন্ধে জ্ঞান থাকে তবে সমস্ত রোগ নিরাময় করতে পারবেন। ঠিক যেমন সঠিক রোগ নিরাময়ের জন্য সঠিক ঔষধের প্রয়োজন। পার্থক্য শুধু এক জায়গাতে, ভুল ঔষধ খেলে রোগতো সারবেই না উপরন্তু শরীরে মারাত্মক কোন ইফেক্ট দেখা দিতে পারে অন্যদিকে অ্যাকুপ্রেশারে ভুল বিন্দুতে চাপ দিলেও তার কোন সাইড ইফেক্ট তো হয়ই না, বরং উপকারীই হয়। তাই এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে বিশ্বের সব থেকে নিরাপদ চিকিৎসা বলা হয়।
এই কোর্সে আপনি অ্যাকুপ্রেসারের সাথে কাইরপ্রাক্টিকের মতো বোন অ্যাডজাস্টমেন্ট সিস্টেমকে এক সাথে ভালোভাবে জানতে পারবেন বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেল পর্যন্ত। এক পাশে যেমন জানতে পারবেন কি করে এটি কাজ করে তেমনি জানতে পারবেন সঠিক বিন্দু ও তার প্রয়োগ প্রণালী। আমার অভিজ্ঞতা থেকে জানতে পারবেন এমন কিছু টেকনিক যা আপনি হাজার বার ব্যাবহার করেও, সব যায়গাতেই সঠিক রেজাল্ট পাবেন। পেয়েন্ট সম্বন্ধে এখানে বা এই কোর্সে এতো নলেজ পাবেন যে, যেকোনো রোগে কোন রকম ঔষধ ছাড়াই সম্পূর্ণ নিরাময় করতে পারবেন। আপদকালীন অবস্থাতেও নিজেকে ও নিজের আপন জনকেও বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারবেন। কিছু রোগের কোন চিকিৎসা নেই, কোন ঔষধ নেই, জেনে রাখুন সেই সমস্ত ক্ষেত্রে একমাত্র অ্যাকুপ্রেশারই কাজ করে, এর পরে আর কোন চিকিৎসা বিজ্ঞান নেই। আমি কেন এমন কথা বলছি তা আমার কর্মজীবনে দেখা হাজার উদাহরণ থেকেই বুঝতে পারবেন। এই কোর্সে শুধু প্র্যাক্টিকেল আর থিওরিই পাবেন না, পাবেন এমন কিছু বাস্তব উদাহরণ যা আর কোথাও খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য ব্যপার।